- ডিপোজিট সীমা: প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহ বা প্রতি মাসে সর্বোচ্চ কত টাকা জমা দিতে পারবেন তা নির্ধারণ করুন। সীমা কমানো তাৎক্ষণিক কার্যকর হয়, বাড়াতে হলে ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।
- সেশন সময়সীমা: একটানা কতক্ষণ খেলবেন তা ঠিক করুন — ৩০ মিনিট থেকে ৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিকল্প আছে।
- স্ব-বর্জন: ৭ দিন থেকে ৬ মাস পর্যন্ত সাময়িকভাবে অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখতে পারবেন।
- স্পোর্টস বেটিং: সর্বনিম্ন ৳৫০ (পঞ্চাশ টাকা) দিয়ে বেট রাখা যায়।
- স্লট গেম: বেশিরভাগ স্লটে প্রতি স্পিনে সর্বনিম্ন ৳১০ থেকে শুরু।
- লাইভ ক্যাসিনো টেবিল: সাধারণত ৳১০০ থেকে শুরু হয়, তবে কিছু টেবিলে ৳৫০-তেও খেলা যায়।
- পোকার ও কার্ড গেম: ন্যূনতম ৳২০ থেকে অংশ নেওয়া যায়।
যদি কেউ একাধিক অ্যাকাউন্ট তৈরি করেন, তাহলে:
- সব অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে।
- অর্জিত বোনাস ও জয়ের অর্থ বাজেয়াপ্ত হতে পারে।
- ভবিষ্যতে নিবন্ধনে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।
- ধাপ ১: অ্যাকাউন্টে লগইন করুন এবং ওয়ালেটে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স রাখুন।
- ধাপ ২: গেমস পাতায় যান এবং "লাইভ ক্যাসিনো" ক্যাটাগরি বেছে নিন।
- ধাপ ৩: পছন্দের টেবিল বেছে নিন — বাকারা, ব্ল্যাকজ্যাক, রুলেট বা ড্রাগন টাইগার।
- ধাপ ৪: টেবিলের চিপ সাইজ দেখুন এবং নিজের বাজেট অনুযায়ী বেট রাখুন।
- ধাপ ৫: লাইভ চ্যাটে ডিলারের সাথে কথাও বলতে পারবেন।
উদাহরণ দিয়ে বুঝি: ধরুন আপনি ৳১,০০০ ডিপোজিট করলেন এবং ১০০% বোনাসে আরও ৳১,০০০ পেলেন। যদি ওয়াগারিং শর্ত হয় ২০x, তাহলে আপনাকে বোনাসের টাকা দিয়ে মোট ৳২০,০০০ বেট করতে হবে (১,০০০ × ২০)।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
- স্লট গেমে সাধারণত ১০০% ওয়াগার গণনা হয়।
- লাইভ ক্যাসিনোতে সাধারণত ১০-২০% গণনা হয়।
- স্পোর্টস বেটিংয়ে ন্যূনতম ১.৫ অডসের বেট গণনা হয়।
- ওয়াগারিং পূরণের জন্য সাধারণত ৩০ দিন সময় থাকে।
চালু করার ধাপ:
- লগইন করে উপরের ডানদিকের প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করুন।
- সেটিংস → নিরাপত্তা → দুই-স্তরীয় যাচাই বেছে নিন।
- SMS OTP বা Google Authenticator — যেটি সুবিধাজনক সেটি বেছে নিন।
- Google Authenticator ব্যবহার করলে স্ক্রিনে QR কোড আসবে — অ্যাপ দিয়ে স্ক্যান করুন।
- জেনারেট হওয়া ৬ সংখ্যার কোড দিয়ে নিশ্চিত করুন।
- 256-bit SSL এনক্রিপশন: সাইটে আপনার পাঠানো ও গ্রহণ করা প্রতিটি তথ্য এনক্রিপ্টেড। ব্যাংক-মানের সুরক্ষা।
- তহবিল পৃথকীকরণ: ব্যবহারকারীদের জমানো অর্থ কোম্পানির পরিচালনা তহবিল থেকে সম্পূর্ণ আলাদা রাখা হয়।
- KYC যাচাই: প্রতিটি অ্যাকাউন্ট যাচাই বাধ্যতামূলক — এতে পরিচয় জালিয়াতি রোধ করা যায়।
- গোপনীয়তা নীতি: আপনার তথ্য তৃতীয় পক্ষের কাছে কখনো বিক্রি বা হস্তান্তর করা হয় না।
- নিয়মিত নিরাপত্তা অডিট: স্বাধীন প্রতিষ্ঠান দ্বারা নিয়মিত সিস্টেম পরীক্ষা করা হয়।